আমার বেতন কি কম? যে প্রশ্নটা রাতে ঘুম কেড়ে নেয়
বেতনের দিন সেই অদ্ভুত অনুভূতি
মাসের শেষ। ব্যাংকে টাকা ঢুকলো। আপনি মোবাইলে নম্বরটা দেখেন। আর ভেতর থেকে কিছু একটা বলে... এটা যথেষ্ট না। সেই রাতগুলোর জন্য না, যখন আপনি অফিসে ১০টা পর্যন্ত বসে ছিলেন। সেই চাপের জন্য না, যেটা আপনি প্রতিদিন সহ্য করেন। বুকের ভেতর সেই চিনচিনে ব্যথা? ওটা হিংসা না। ওটা আপনার মাথা, হিসাব কষছে। কিন্তু শুনুন — শুধু অনুভব করলেই হবে না। বসের সাথে কথা বলার আগে আপনার একটা আসল সংখ্যা দরকার। আন্দাজে চলবে না। কারো শোনা কথায় চলবে না। আপনার রোল, আপনার দেশ, আপনার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী আসল মার্কেট ডেটা লাগবে। এই টুল ঠিক সেটাই দেয়। ফ্রিতে। সাইনআপ ছাড়াই।
তানভীরের গল্প — ঢাকার মিরপুর থেকে
তানভীর মিরপুরে একটা সফটওয়্যার ফার্মে কাজ করে। মাসে ৪৫ হাজার টাকা বেতন। ও খুশিই ছিল — যতক্ষণ না অফিসের আড্ডায় জানতে পারলো, ওর জুনিয়র পায় ৬০ হাজার! জুনিয়র! তানভীরের মাথায় আকাশ ভেঙে পড়লো। মনে হলো, কেউ যেন ঠকিয়েছে। কিন্তু তানভীর বুদ্ধিমান ছিল। রাগের মাথায় চাকরি ছাড়েনি। আগে মার্কেট যাচাই করলো। দেখা গেল, ও সত্যিই কম বেতন পাচ্ছিল! কোম্পানিগুলো একটা জিনিসের ওপরই চলে — আপনি যেন নিজের দাম না জানেন। যেদিন আপনি প্রশ্ন করা শুরু করবেন, সেদিন খেলা বদলে যাবে।
সংখ্যা পেয়ে গেছেন? এবার স্মার্ট হোন
ঠিক আছে। চেক করে ফেলেছেন। সংখ্যাটা হাতে পেয়েছেন। এখন কী? যদি দেখেন আপনি কম বেতন পাচ্ছেন, ভয় পাবেন না, আবার রাগ করে আজই ইস্তফাও দেবেন না। ডেটা হলো শক্তি — কিন্তু শুধু তখনই, যখন সঠিকভাবে ব্যবহার করবেন। প্রথমে নিজের অর্জনের তালিকা বানান। কোন প্রজেক্ট শেষ করেছেন? কোম্পানির কী লাভ হয়েছে? সংখ্যায় লিখুন। তারপর ম্যানেজারের কাছে স্যালারি রিভিউ চান। সরাসরি বলুন — "মার্কেট ডেটা অনুযায়ী আমার রোলের বেতন এত। আমি রিভিউ চাই।" ভয় পাবেন না। এটা আপনার অধিকার। আর কোম্পানি না বললে? তাহলে এখন জানেন, বাইরে কত চাইতে হবে। ইন্টারভিউতে আত্মবিশ্বাসের সাথে সেই সংখ্যাই চান।